আগামী চার দিন পরেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। সকলের প্রত্যাশা একটি অবাধ নিরপেক্ষ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে। দেশের জনগণ এবং সচেতন নারী হিসেবে শর্মিষ্ঠার নিজের ভোট পছন্দের প্রার্থী কে দিবেন এবং সচেতন মহিলা হিসেবে ভোট উৎসব উপভোগ করবেন দীর্ঘদিনের আশা। ঠিক শর্মিষ্ঠা বিবাহের বয়স ১৫ বছর। শর্মিষ্ঠার দাম্পত্য জীবনে পদার্পণ করার পরে আনন্দ উপভোগ করতে পারেনি। শুধুমাত্র মানুষ রুপি হায়না জন্তু সেজে বর্তমান ২০ নম্বর দেওয়ান বাজার ওয়ার্ড বসবাসকারী শশুর পরিবার নিখিল ভট্টাচার্য শাশুড়ি পিঠু রানী, স্বামী অনুপ ভট্টাচার্য, দেবর অমিত ভট্টাচার্য শিবু দেবরের স্ত্রী উর্মি ননদ সুমি ননদের স্বামী সমর ভট্টাচার্য সহ সাতজন মিলে শর্মিষ্ঠা জীবনের হাজারো স্বপ্ন কৌশলে বিলীন করিয়ে দেয়। যা সম্পূর্ণ মানবতা বিরোধী বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মানবতাবাদী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং নারী উন্নয়ন ফোরাম, বাংলাদেশ সম্মিলিত মহিলা পরিষদ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ভোট দানের মাধ্যমে জিম্মি হওয়ার কারণ বুঝতে পারবে বলে জানা যায়। কারণ দীর্ঘদিন পর্যন্ত আদালত সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে শশুর পরিবারের সাতজনের বৃদ্ধা আগুলের ছাপযুক্ত লিখিত বক্তব্য দেওয়ার জন্য আবেদন নিবেদন করার সত্ত্বেও কোন রকমের জবাব না দিয়ে তৎকালীন ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী দোসরদের ছত্রছায়ায় শর্মিষ্ঠাকে নিরবে নির্যাতনের মাধ্যমে জিম্মি করে রাখে। আগামী নির্বাচন দোরগোড়ায় কিন্তু শর্মিষ্ঠার ২১ নম্বর জামাল খান ওয়ার্ডের আইডি কার্ড তার পৈতৃক পরিবারের মধ্যে সংরক্ষিত রয়েছে বলে জানা যায়।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে যদি শর্মিষ্ঠের ভোট দেওয়া শশুর পরিবারের সম্মতি থেকে বঞ্চিত হয় তাহা হইলে বাংলাদেশ সম্মিলিত মহিলা পরিষদ মানবাধিকার সংগঠন সহ সামাজিক সংগঠনগুলি শ্বশুর পরিবারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলন গড়ে তুলবে বলে জানায় সনাতনী নারী উন্নয়ন ফোরাম।