
বড় বড় কাজ করা সোজা, অনেকেই করতে পারে। নাম যশের জন্য অনেক সময় অনেক বড় বড় কাজ করতে পারা যায়। ছোট ছোট কাজের ভিতর দিয়েই মানুষকে বোঝা যায়, তার চরিত্র কতদূর গড়েছে। যারা ঠিক ঠিক কর্মযোগী তারা অতি হীন কাজ হলেও সে কাজ ভগবদ্বুদ্ধিতে মন প্রাণ ঢেলে দিয়ে করে। লোকের বাহবা নেবার জন্য তারা কখনো কিছু করে না।
মনের মত কাজ হলে সবাই করতে পারে। তাহলে কি আর কাজ করা চলে, বাবা? যে কোন কাজই হোক না কেন, যে কোন কাজই আসুক না কেন, ঠাকুরের কাজ জেনে সব রকম কাজে নিজেকে adjust করে (খাপ খাইয়ে) নিতে হবে।
শুধু কর্ম করলেই হবে না। ভগবদ্ভাব আশ্রয় করে কর্ম করতে হবে। বার-আনা মন ভগবানে দিয়ে রাখতে হবে, আর বাকি চার-আনা মনে কর্ম করতে হবে। এইরূপ ভাবে চললে ঠিক ঠিক কাজ করতে পারবি– মনেতে উদারতা আসবে, আনন্দ আসবে। আর সাধন-ভজন ছেড়ে দিয়ে কর্ম করতে গেলে সহজেই অহংকার, অভিমান আসবে, আর যত ঝগড়াঝাটি ও অশান্তির সৃষ্টি হবে। কর্মই করিস আর যাই করিস, সাধন ভজন ছাড়িস নে।








