মানবতার মিলন মেলা ঋষিকুম্ভ মেলা

অন্তরে পবিত্র ধর্মভাব সর্বদা জাগ্রত রাখতে কুম্ভমেলা হয়ে থাকে। কুম্ভ মেলার মূল অর্থ সাধু সন্মেলন।
দেবরাজ ইন্দ্র পুত্র জয়ন্ত অমৃতকুম্ভ নিয়ে পলায়নের সময় ভারতের যে চার জায়গায় কুম্ভ নামিয়ে রেখেছিলেন সে সকল স্থানে যুগ যুগ ধরে পবিত্র কুম্ভ হয়ে আসছে।
সাধু, সন্ন্যাসী, ঋষি, বৈষ্ণব, ভক্ত, মহাপুরুষদের পরিবেষ্টিত ঐ সকল পুণ্যতীর্থ দুরদুরান্তে অবস্থিত।
ঋষি শিল্পের রুপকার শ্রীশ্রীমৎ স্বামী অদ্বৈতানন্দ পুরী মহারাজ পূর্ণকুম্ভের অধিকারী হয়ে কুম্ভের অনুসরণে এদেশের হতদরিদ্র ভক্ত জনসাধারণের তীর্থ সেবার মহৎ ফল সহজলভ্য করার উপায় হিসেবে তাঁরই লীলাক্ষেত্র চট্টগ্রামস্থ বাঁশখালী ঋষিধামে ঋষিকুম্ভের প্রবর্তণ করেন।
উক্ত সাধু সন্মেলনে সাধু দর্শন ও তৎসঙ্গে হরিকথামৃত আকন্ঠ পান করারও অপুর্ব সুযোগ লাভ করে পরিতৃপ্ত হতে পারে অগণিত তীর্থকামী ভক্ত সজ্জন।
এ বারের ১১দিন ব্যাপি ঋষিকুম্ভ মেলায় প্রচুর সাধু,সন্ন্যাসী ও ভক্তবৃন্দের আগমন ঘটছে। নাম
ধ্বনিতে মুখরিত হবে আশ্রম অঙ্গন। শিষ্য ভক্তবৃন্দ
একে অপরের সাথে মিলিত হবার অপুর্ব সুযোগ ঘটবে।
ঋষিধাম ও তুলসীধামের পরম পুজনীয় মোহন্ত মহারাজ শ্রীমৎ স্বামী সুদর্শনানন্দ পুরী মহারাজ ও শ্রীগুরু সংঘের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এবং ঋষি অদ্বৈতানন্দ পরিষদ-বাংলাদেশের সার্বিক সহযোগীতায় এই উৎসব সুন্দর ও সুষ্টভাবে উৎযাপিত হবে এ কামনা করি স্বামীজির চরণে। ২৩শে জানুয়ারি হইতে ২রা ফেব্রুয়ারী
২০২৬ইং ১১দিন ব্যাপী মহাসমারোহে বাঁশখালী ঋষিধামে দ্বাবিংশতম আন্তর্জাতিক ঋষিকুম্ভ ও কুম্ভমেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

মন্তব্য করুন