

“আমাদের সকলের জন্য এটা জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, কিভাবে কৃষ্ণের জন্ম ও কার্যক্রম পূর্ণরূপে চিন্ময়। কৃষ্ণের আবির্ভাব এমনভাবে হয় না যেমনভাবে একটি সাধারণ শিশু জন্ম নেয়। কৃষ্ণ বসুদেবের হৃদয়ে অবস্থান করেন। তিনি নিজেকে চমৎকার উপায়ে প্রকাশ করেন। এমনইভাবে করেন যে, এমনকি কংস ও মহান ব্যক্তিরা পর্যন্ত বাসুদেবের কার্যক্রম দেখেছে। তারা বাসুদেবকে দেখতে পায়নি। তিনি এতটাই মহান!!! তিনি বসুদেবের হৃদয় থেকে দেবকীর গর্ভে স্থানান্তরিত হলেন। তাঁর আবির্ভাব সম্পূর্ণ চিন্ময় এবং তাঁর জন্মের পর পরই তাঁকে ব্রজে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ব্রজে অনেক শুদ্ধভক্তেরা তাঁর সেবা করার জন্য উৎসুক ছিলেন। তিনি অনেক অসুরদের বধ করেছেন৷ তিনি গোবর্ধন পর্বত উত্তোলন করে সকলকে আনন্দ দান করেছেন। আমরা যতই কৃষ্ণ সম্বন্ধে জানি, ততই আমরা আনন্দ অনুভব করি। তাই সকল বৈষ্ণবদের বাসনা হলো কৃষ্ণ সম্বন্ধে, তাঁর গুণাবলি ও তাঁর লীলা সম্বন্ধে আলোচনা করা।
জন্মাষ্টমীতে শ্রীল প্রভুপাদ আমাদের দিয়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ‘লীলা পুরুষোত্তম শ্রীকৃষ্ণ’ গ্রন্থ পড়াতেন। এভাবে পালা করে করে বিভিন্ন ভক্তেরা কুড়ি থেকে ত্রিশ মিনিট করে পড়তেন। এভাবে সারাদিন ব্যাপী যজ্ঞ হতো যেন আমরা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব সম্বন্ধে জানতে পারি। তবে যদি আমরা তাঁর আবির্ভাব সম্বন্ধে ভালোভাবে জানি, তবে মৃত্যুর সময় আমরা কৃষ্ণের কাছে ফিরে যেতে পারব। তাই কৃষ্ণের জন্ম ও কর্ম সম্বন্ধে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর ভক্তরা কৃষ্ণের লীলা, রূপ ও সৌন্দর্য নিয়ে আলোচনা করেন।”
~শ্রীল জয়পতাকা স্বামী
১৫ই আগস্ট, ২০১৭
শ্রীধাম মায়াপুর









